মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে গ্রামীণ শক্তি এনজিওর পরিচালক মো. মাসুদ রানা ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় তাঁর নামে রেকর্ডভুক্ত সম্পত্তি বিক্রি ও হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে তা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হরিরামপুর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, ৩২ জনের কাছ থেকে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। তাঁদের দাবি, মামলা চলমান থাকা অবস্থায় মো. মাসুদ রানার নামে রেকর্ডভুক্ত হরিরামপুরের আইলকুন্ডি মৌজার প্রায় ১০১ দশমিক ৫ শতাংশ সম্পত্তি তাঁর স্ত্রী লিলি বেগমের মাধ্যমে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ২০২৬ সালে ওই সম্পত্তির বায়না রেজিস্ট্রি করার চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করেন তাঁরা।
ভুক্তভোগীরা বলেন, সম্পত্তিটি বিক্রি ও হস্তান্তর বন্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, পাওয়ার দলিল নম্বর-১৭৬১ ও বায়না দলিল যাচাই এবং আদালতের কোনো আদেশ, ক্রোক বা নিষেধাজ্ঞা থাকলে তা কার্যকর করতে হবে। পাশাপাশি তাঁদের পাওনা টাকা উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তাঁরা।
অভিযোগের বিষয়ে মো. মাসুদ রানার বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তিনি পলাতক রয়েছেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

