মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দিঘী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুহাম্মদ শামছুল হকের গণসংযোগ ও প্রচারণা দিন দিন জোরালো হয়ে উঠেছে। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও ওয়ার্ডে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেওয়া, মতবিনিময় এবং এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে দেখা যাচ্ছে তাকে।
মুহাম্মদ শামছুল হক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দিঘী ইউনিয়নের অনেক গুরুত্বপূর্ণ খাত অবহেলিত রয়েছে। বিশেষ করে রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, শিক্ষা, কৃষি ও সামাজিক উন্নয়নে এখনো অনেক কাজ বাকি রয়েছে। তিনি নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে দিঘী ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, উন্নত ও মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে চান।
তিনি আরও বলেন, যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি ইভটিজিং, সন্ত্রাস ও সামাজিক অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। নারীদের নিরাপত্তা, শিক্ষার্থীদের জন্য সুস্থ পরিবেশ এবং কৃষকদের উন্নয়নে বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
রাজনৈতিক অঙ্গনে মুহাম্মদ শামছুল হকের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি মানিকগঞ্জ জেলা কৃষকদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি, সদর থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং দেবেন্দ্র কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক কার্যকরী সদস্য ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক এবং সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা তাকে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে পরিচিত করেছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে ইতোমধ্যে তিনি ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তাকে নিয়ে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, নির্বাচনে জয়ী হলে দিঘী ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন মুহাম্মদ শামছুল হক। তার ধারাবাহিক গণসংযোগ ও জনসম্পৃক্ততা ইতোমধ্যে ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

