মায়ের কথা বলতে গিয়ে লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল বলেন, ‘যেখানেই থাকতাম, প্রতিদিন মায়ের কাছে হাজিরা দিতাম।’ মায়ের সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে বারবার আবেগে কণ্ঠ ভারী হয়ে আসে তাঁর।
মায়ের স্নেহের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, মা তাঁকে সব সময় আদর করতেন, ভালোবাসতেন। কাছে পেলে স্নেহভরে চুমু দিতেন। সেই মমতাময়ী মানুষটি আজ আর তাঁদের মধ্যে নেই—এই বাস্তবতা যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তিনি।
জানাজার আগে উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে মায়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল। তিনি বলেন, তাঁর মায়ের কোনো কথা বা আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে যেন তাঁকে ক্ষমা করে দেন।
মায়ের স্মৃতি মনে করে আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, ‘আজ তিনি আমাদের মধ্যে নেই।’ তাঁর কথায় ফুটে ওঠে মাকে হারানোর গভীর শোক এবং শূন্যতার অনুভূতি।
মায়ের জীবনের কথা স্মরণ করে লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল জানান, তাঁর মা হজ ও ওমরাহ পালন করেছেন। মহান আল্লাহ যেন তাঁর জীবনের সব ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন—এ জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন তিনি।
মায়ের মৃত্যুতে গভীর শোকের মধ্যে থাকা লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল মায়ের রেখে যাওয়া সব পাওনা ও দায়দায়িত্বের বিষয়েও দায়িত্ব নেওয়ার কথা জানান। চার ভাইকে একসঙ্গে রেখে মায়ের যে ভূমিকা, সেই অবদানের কথাও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি।
মায়ের প্রতি সন্তানের এমন গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার স্মৃতিচারণে জানাজায় উপস্থিত অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। সবার কাছে ফরিদা বেগমের রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া কামনা করেন পরিবারের সদস্যরা।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মরহুমার দৌহিত্র, রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান ও দেশ রূপান্তরের প্রকাশক মাহির আলী খাঁন রাতুল, মরহুমার ছেলে ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আলী আকবর খাঁন রতন, মরহুমার দৌহিত্র ও রূপায়ণ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাইফ আলী খাঁন অতুলসহ পরিবারের সদস্যরা।
সবখবর/ নিউজ ডেস্ক

