মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে ১৩ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে আবদুল বারেক (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দৌলতপুর থানায় মামলা করেন। পরে অভিযান চালিয়ে বারেককে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি উপজেলার খলসী ইউনিয়নের কুমুরিয়া গ্রামের মৃত আইনুদ্দিন শেখের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী স্থানীয় বিনোদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। অভিযুক্ত বারেক তাঁদের প্রতিবেশী। গত ২৪ আগস্ট রাতে বারেকের স্ত্রীর অনুরোধে কিশোরী তাঁদের বাড়ির পশ্চিম পাশের একটি কক্ষে বারেকের পুত্রবধূর সঙ্গে ঘুমাতে যায়।
এজাহারে বলা হয়, রাত আনুমানিক ১টার দিকে বারেকের পুত্রবধূ টয়লেটে গেলে ওই সুযোগে বারেক কক্ষে প্রবেশ করেন। এ সময় কিশোরীকে একা পেয়ে জড়িয়ে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। কিশোরীর চিৎকারে বারেক সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে কিশোরী নিজ বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়।
এরপর ভুক্তভোগীর মা থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বারেককে গ্রেপ্তার করে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বপন কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩)-এর ৯(৪)(খ) ধারায় মামলা হয়েছে। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নজরুল ইসলামকে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

